দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন চিকিৎসা সহায়তা দিতে আবেদন আহ্বান করেছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। ২০২৬ সালের মে-জুন প্রান্তিকের জন্য সোমবার (৪ মে) থেকে আবেদন শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।
ট্রাস্টের উপবৃত্তি শাখার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এই অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীদের নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘ই-চিকিৎসা অনুদান ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এ প্রবেশ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনকারীদের অবশ্যই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হতে হবে এবং মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে নির্ধারিত ফলাফল অর্জন করতে হবে। সে ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী শ্রেণিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। এছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ে জিপিএ ৫.০০-এর বিপরীতে ন্যূনতম ৩.৫০ এবং স্নাতক পর্যায়ে জিপিএ ৪.০০-এর বিপরীতে ৩.০০ থাকতে হবে।
অনুদানের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের সন্তানরা। পাশাপাশি যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় দুই লাখ টাকার কম, তারাও এই সহায়তার আওতায় আসবেন। আবেদনের সঙ্গে সিভিল সার্জন বা সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত ‘গুরুতর আহত’ সনদের কপি আপলোড করতে হবে। উল্লেখ্য, দুর্ঘটনার তারিখ থেকে সর্বোচ্চ এক বছরের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
ট্রাস্ট জানিয়েছে, অনুমোদিত অনুদানের অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থী বা তার অভিভাবকের ব্যাংক হিসাবে অনলাইনের মাধ্যমে পাঠানো হবে। এজন্য আবেদনপত্রে সঠিক ব্যাংক হিসাব নম্বর ও সচল মোবাইল নম্বর প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের হার্ড কপি জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
এছাড়া কোনো শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন করার সময় তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম না পেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে প্রয়োজনীয় তথ্যসহ ট্রাস্টে আবেদন করে ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নির্ধারিত নির্দেশিকা অনুসরণ করেই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই এককালীন আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :