ঈদ উপলক্ষে মার্কেট ও শপিং মল খোলা রাখার সময় বাড়ানোর দাবি


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : মে ৪, ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ণ
ঈদ উপলক্ষে মার্কেট ও শপিং মল খোলা রাখার সময় বাড়ানোর দাবি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার প্রভাবে দেশে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকানপাট ও শপিং মল বন্ধ রাখার নিয়ম কার্যকর রয়েছে। তবে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এই সময়সীমা শিথিল করে দোকান ও বিপণিবিতান রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।

রোববার (৩ মে) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের কাছে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠায় সংগঠনটি। চিঠিতে স্বাক্ষর করেন সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন এবং মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া।

চিঠিতে বলা হয়, গত ৪ এপ্রিল বিদ্যুৎ অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত এক সভায় বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে প্রথমে দোকান খোলা রাখার সময় সন্ধ্যা ৬টা নির্ধারণ করা হলেও পরে আলোচনা শেষে তা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়। সমিতি দাবি করে, তারা সেই সিদ্ধান্ত মেনে সারাদেশে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেছে।

তবে বর্তমানে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতি খুবই খারাপ উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, বিক্রি প্রায় নেই বললেই চলে এবং অনেক ব্যবসায়ী আর্থিক চাপে রয়েছেন। সমিতির দাবি, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী জ্বালানি সাশ্রয়ে তারা সহযোগিতা করলেও অন্যান্য খাতে একই ধরনের উদ্যোগ দেখা যায়নি। এছাড়া চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, বিভিন্ন জেলায় অপরিকল্পিত বাণিজ্য মেলা আয়োজনের কারণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। নিম্নমানের পণ্য বিক্রির মাধ্যমে এসব মেলা স্থানীয় ব্যবসার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলেও দাবি করা হয়।

ঈদুল আজহা সামনে রেখে ব্যবসার মৌসুম বিবেচনায় দোকান খোলা রাখার সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে সমিতি বলেছে, আগামী ১০ মে থেকে মার্কেট ও শপিং মল রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিলে ব্যবসায়ীরা কিছুটা হলেও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন। চিঠিতে আরও জানানো হয়, ঈদের পর সাত দিন মার্কেট ও বিপণিবিতান বন্ধ রাখার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সরকার এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত না দিলেও বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।