বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক প্রকৌশলী শাহ আলমের ইন্তেকাল, বিভিন্ন স্থানে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক প্রকৌশলী শাহ আলম (৭১) রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়েতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

মরহুম শাহ আলম নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্ল্যাপুর ইউনিয়নের করিমপুর গ্রামের জয়নাল ডাক্তারের বাড়ির বাসিন্দা ছিলেন। কর্মজীবনের দীর্ঘ সময় তিনি ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে প্রকৌশলী হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মস্থলে তার সততা, কর্মনিষ্ঠা ও মানবিক আচরণের জন্য সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় একজন ব্যক্তি।

তার মৃত্যুতে সহপাঠী, সাবেক ও বর্তমান সহকর্মী, আত্মীয়-স্বজন এবং এলাকাবাসী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুর পর মরহুমের প্রথম জানাজার নামাজ ঢাকার শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির শাপলা মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্ল্যাপুর ইউনিয়নের করিমপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় আত্মীয়-স্বজন, এলাকাবাসী, সহকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

এদিকে, তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে রাজধানীর শাহজাহানপুরে একটি বিশেষ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এছাড়া নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মসজিদেও মরহুমের স্মরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে দেশ, জাতি এবং মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

মরহুমের বড় ছেলে সুজন গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসী, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে তার প্রয়াত বাবার রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, “আমার বাবা সারাজীবন সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা তার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা কর