প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

সরকার পূর্বের নিয়মে প্রতি বছর ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস এবং ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস পৃথকভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুই দিবস একই দিনে পালনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে এ নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৩তম বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগে প্রতি বছর ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস এবং ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন করত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। তবে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে দুই দিবস একত্রে ১২ আগস্ট উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস একই দিনে পালিত হয়।

তবে বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, বর্ষাকালে একসঙ্গে দুই দিবস উদযাপন করায় যুব র‌্যালি, যুব সমাবেশ ও যুবমেলার মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ফলে যুব উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নানা সমস্যার মুখোমুখি হন।

এ ছাড়া জাতীয় যুব দিবস ছাড়া অন্য সময়ে যুবমেলার আয়োজন করলে কাঙ্ক্ষিত জনসম্পৃক্ততা ও বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জিত হয় না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, জাতীয় যুব দিবস সরকারি অর্থায়নে উদযাপিত হলেও আন্তর্জাতিক যুব দিবস সাধারণত সরকারি-বেসরকারি সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতায় পালিত হয়ে থাকে।

এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ভবিষ্যতে প্রতি বছর ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস এবং ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস পৃথকভাবে উদযাপন করা হবে। সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে জাতীয় যুব দিবসের ঐতিহ্যবাহী আয়োজনগুলো আগের মতোই স্বতন্ত্রভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে এবং যুব উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।