লক্ষ্মীপুরের রামগতি বাজার থেকে চর লক্ষ্মী, বয়ারচর, জয়নালের মোড় ও সেন্টার বাজার হয়ে নোয়াখালীর হাতিয়া পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ গাছের কারণে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের লাগানো অসংখ্য গাছ সড়কের দিকে হেলে থাকায় যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে কয়েকটি গাছ সড়কের ওপর ভেঙে পড়ায় চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো অপসারণ করা হয়নি। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টির সময় যেকোনো মুহূর্তে গাছ ভেঙে যানবাহন বা পথচারীর ওপর পড়তে পারে। তাই সরকারি বিধি অনুসরণ করে টেন্ডারের মাধ্যমে গাছগুলো বিক্রি ও দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদ উদ্দিন বলেন, ব্রিজ-ঘাটকে কেন্দ্র করে রামগতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠেছে। প্রতিদিন ব্যবসায়ী, শ্রমিক, শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। কিন্তু সড়কের দিকে হেলে থাকা গাছগুলোর কারণে সবাই আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করছেন। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
অপর ইউপি সদস্য ইব্রাহিম খলিল দিদার জানান, এর আগে এই সড়কে গাছ ভেঙে একটি মোটরসাইকেলের ওপর পড়লে একজন আরোহীর মৃত্যু হয়। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ গাছ অপসারণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে নোয়াখালী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোল্লা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব।”
স্থানীয়দের আশা, বন বিভাগের দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ গাছ অপসারণ করা হলে সড়কে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে।