আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় ঢামেকের অবদান জাতীয় গর্বের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান। শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি জাতির অগ্রগতি শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে না; বরং একটি সুস্থ, দক্ষ ও মানবিক জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার ওপরও নির্ভর করে। এ ক্ষেত্রে মানসম্মত চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার বিকাশে ঢাকা মেডিকেল কলেজ আট দশক ধরে যে অনন্য অবদান রেখে চলেছে, তা জাতীয় গৌরবের বিষয়। এই ধারাকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠার পর থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ পথচলায় এ প্রতিষ্ঠান অসংখ্য দক্ষ, মানবিক ও দেশপ্রেমিক চিকিৎসক তৈরি করেছে, যারা দেশ ও দেশের বাইরে পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্ব ও সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান, জাতীয় সংকট, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চা এবং আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি স্বাস্থ্যখাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ তার গৌরবময় ঐতিহ্য ধরে রেখে ভবিষ্যতেও বিশ্বমানের চিকিৎসক, গবেষক ও স্বাস্থ্য নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, ৮০ বছরের অভিজ্ঞতা ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রেরণাকে ধারণ করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ভবিষ্যতে জ্ঞান, মানবিকতা, গবেষণা ও সেবার ক্ষেত্রে আরও উৎকর্ষ অর্জন করবে। পাশাপাশি দেশের কল্যাণে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও চিকিৎসকদের অব্যাহত অবদানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।