দীর্ঘদিন পর আবারও ফুটবল উৎসবে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে উঠল মাদারীপুর জেলা স্টেডিয়াম। ওয়াজউদ্দিন মাতুব্বর স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো ফুটবলপ্রেমীর উপস্থিতিতে স্টেডিয়ামজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ। বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের ভিড়ে গ্যালারি পূর্ণ হয়ে যায়। দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই ফাইনাল ম্যাচ স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করে।
শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল ৪টায় জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় কুলপদ্দী মডেল ক্লাব ও চরমুগুরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব। শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা উপভোগ করেন দর্শকরা। ম্যাচের প্রথমার্ধে করা একমাত্র গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় কুলপদ্দী মডেল ক্লাব। দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরাতে চরমুগুরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব একাধিক আক্রমণ চালালেও সফল হতে পারেনি। নির্ধারিত সময় শেষে ১-০ গোলের জয় নিয়ে শিরোপা উৎসবে মাতে কুলপদ্দী মডেল ক্লাবের খেলোয়াড় ও সমর্থকরা।
খেলা শেষে বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া, মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ মর্জিনা আক্তারসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, ক্রীড়াচর্চা তরুণ সমাজকে সুস্থ, শৃঙ্খলাবোধসম্পন্ন ও ইতিবাচক জীবনধারা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ মর্জিনা আক্তার বলেন, খেলাধুলা তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে জেলার ক্রীড়াঙ্গন আরও সমৃদ্ধ হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার বিমল চন্দ্র বর্মন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ডা. মো. গোলাম সারোয়ার, টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মর্তুজা আলম ঢালী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মুরাদ, মো. হাবিবুর রহমান এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মর্তুজা আলম ঢালী জানান, জেলার ফুটবলের হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার, নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
প্রয়োজনে আমি এটিকে আরও পত্রিকার উপযোগী, টিভি রিপোর্টের ভাষায় বা অনলাইন নিউজ পোর্টালের স্টাইলে রূপান্তর করে দিতে পারি।