রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার জন্য আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন তিনি।
রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি নৃশংস ও হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত পরিচালনা, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং দোষীরা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তি পাবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ ধরনের জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অপরাধীদের জন্য একটি শক্ত বার্তা দেওয়া হয়েছে।
এ সময় তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ভবিষ্যতেও একই ধরনের পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় উপস্থিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির অন্যান্য সদস্যরাও শিশু রামিসা হত্যা মামলার ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, এমন সংবেদনশীল ও আলোচিত মামলায় দ্রুত তদন্ত ও আসামি শনাক্তকরণ জনগণের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি করেছে।
সদস্যরা ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে শিশু ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
উল্লেখ্য, রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করে।