লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্ট, সিঙ্গাপুরে আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপে।

‎মো: আব্দুল ওহাব, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত হয়েছে- শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬

সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিতব্য মর্যাদাপূর্ণ ‘জুনিয়র অ্যান্ড সিনিয়র আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকস সিঙ্গাপুর ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপস (এসজিপি) ২০২৬’-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন বান্দরবানের লামায় অবস্থিত কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের সাতজন উদীয়মান জিমন্যাস্ট। আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য তাদের চূড়ান্তভাবে মনোনীত করেছে বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশন

ফেডারেশন সূত্রে জানা যায়, ১ জুন থেকে ৮ জুন ২০২৬ পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে নির্বাচিত সাত খেলোয়াড় হলেন— উহাই মং মার্মা, প্রেনথৈ ম্রো, মংচিং প্রু ত্রিপুরা, মেনটন টনি ম্রো, উটিংওয়াং মার্মা, রাজীব চাকমা এবং ওয়ে ওয়ে সাই মার্মা

প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উঠে আসা এই জিমন্যাস্টদের দক্ষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ। সঠিক দিকনির্দেশনা, কঠোর শৃঙ্খলা, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং নিবিড় তত্ত্বাবধানে দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রস্তুত করা হয়েছে। কোচদের নিরলস পরিশ্রম ও খেলোয়াড়দের অধ্যবসায়ের ফলেই তারা আজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছেন।

ফেডারেশনের এক আনুষ্ঠানিক পত্রে খেলোয়াড়দের মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

এ বিষয়ে কোয়ান্টাম শিক্ষাসেবা কার্যক্রমের ইনচার্জ ছালেহ আহমেদ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ছিল তৃণমূল পর্যায় থেকে এমন জিমন্যাস্ট তৈরি করা, যারা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে। আজ যখন আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশের জার্সি গায়ে বিদেশের মাটিতে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, তখন প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের শ্রম সার্থক বলে মনে হচ্ছে। আমরা আশাবাদী, তারা সিঙ্গাপুরে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে।”

ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় পর্যায়ের সাফল্যের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৃতিত্ব অর্জনের জন্য তৃণমূলভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও প্রাতিষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ ধারাবাহিকভাবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।