গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার লোহাইড় পশ্চিমপাড়া এলাকায় কথিত কবিরাজ বৃষ্টি আক্তারকে ঘিরে নানা অভিযোগ ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি চিকিৎসা ও সমস্যা সমাধানের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেন, যা নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বৃষ্টি আক্তার জানান, তিনি বিভিন্ন কাজে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নেন। তার ভাষায়, “বাড়ি বন্ধ দেওয়ার জন্য ১১০০ টাকা নেই, বাচ্চাদের চিকিৎসার জন্য ৩০০ টাকা করে নেই।”
অনুসন্ধানের সময় তার ব্যবহৃত কক্ষে কোরআন শরীফের পাশাপাশি ত্রিশূল ও বিভিন্ন পূজাসামগ্রী দেখা যায় বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে তিনি দাবি করেন, “কালী, মহাদেব ও জিন আমার সঙ্গে কথা বলে।” আরও বলেন, ধর্মীয় ভিন্নতা থাকলেও কোরআন শরীফের পাশে ত্রিশূল ও পূজাসামগ্রী রাখা যায়।
তার এসব বক্তব্যকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বিষয়টি ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে সম্পর্কিত উল্লেখ করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে সংবাদ সংগ্রহের সময় তার স্বামী আরমান মোল্লার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়া এবং একপর্যায়ে হামলার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকরা জানান, তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন এবং কাজে বিঘ্ন ঘটান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত বৃষ্টি আক্তারের পিতা কিবরিয়া মোল্লা। তাদের বাড়ি একই উপজেলার লোহাইড় পশ্চিমপাড়া গ্রামে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।