শেষ হয়নি মহাসড়ক সংস্কার কাজ, ঈদ যাত্রায় বড় ভোগান্তির শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নাড়ির টানে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে ফিরতে শুরু করেছেন লাখো মানুষ। তবে এবারের ঈদযাত্রায়ও গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক। প্রায় ১০ কিলোমিটারজুড়ে বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত এই সড়ক দুটি যান চলাচলের জন্য অনেকটাই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

গত ঈদে কিছুটা স্বস্তিদায়ক যাত্রা থাকলেও এবার তীব্র যানজটের আশঙ্কা করছেন পরিবহন চালক, শ্রমিক ও ঘরমুখো যাত্রীরা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বছরের অন্যান্য সময়েও এই মহাসড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ থাকে। তবে ঈদকে কেন্দ্র করে যান চলাচল কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এর মধ্যে অটোরিকশার দৌরাত্ম্য, ফুটপাত দখল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ, খানাখন্দ, কাদাযুক্ত রাস্তা এবং বিভিন্ন স্থানে সড়ক সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনাও ঘটছে এসব এলাকায়। ফলে যেখানে স্বাভাবিক সময়ে পাঁচ মিনিট লাগার কথা, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হচ্ছে যাত্রীদের। পরিবহন শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গার্মেন্টস ছুটি শুরু হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়বেন সাধারণ যাত্রীরা। শ্রমিকদের ভাষ্য, ঈদের আগে প্রতিদিনই যানবাহনের চাপ বাড়ছে। এখনই যদি কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে ঈদের সময় ভয়াবহ যানজট তৈরি হতে পারে।

তবে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, শনিবার (২৩ মে) থেকে ঈদযাত্রার সুবিধার্থে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সব ধরনের নির্মাণকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এদিকে ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক রেজোয়ান আহমেদ জানান, যাত্রীদের জানমাল নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ভোগান্তি কমাতে পুলিশের পক্ষ থেকেও বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং মহাসড়কে নজরদারি বাড়ানোসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।