র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন রাজধানীর মুগদা এলাকায় সাত খণ্ডে বিভক্ত পুরুষের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে। একই ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত ব্যক্তির মাথাও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (১৮ মে) র্যাব-৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানান, আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে এবং বিকেলে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।
এর আগে গতকাল রাজধানীর মুগদা-এর মান্ডা প্রথম গলি এলাকা থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয়ের এক পুরুষের সাতটি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে র্যাবের অভিযানে নিহতের মাথা উদ্ধার করা হয়।
র্যাবের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তির নাম মুকাররম হোসেন। তিনি সৌদি প্রবাসী ছিলেন বলে জানা গেছে। তদন্ত সূত্রে জানা যায়, মুকাররম হোসেন এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই নারী কৌশলে তাকে ঢাকায় এনে একটি বাসায় ওঠান। পরে ঘুমের ওষুধ খাওয়ালে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। এরপর তাকে হত্যা করে মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, প্রায় ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে প্রেমিকা ও তার এক বান্ধবী মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যার পর মরদেহ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আরও একজনকে ধরতে অভিযান চলছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক মো. আবু রায়হান জানান, রোববার বিকালে মান্ডা এলাকার একটি ভবনের বেজমেন্ট থেকে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।