বিশ্বকবির ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কুষ্টিয়ার টেগর লজে নানা আয়োজন।

মিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি আশিক। প্রকাশিত হয়েছে- শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

আজ ২৫ বৈশাখ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে কুষ্টিয়ায় নানা আয়োজনে কবিগুরুকে স্মরণ করা হয়েছে।সকালে কুষ্টিয়া পৌরসভা-র আয়োজনে শহরের কবি আজিজুর রহমান সড়কে অবস্থিত রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত টেগর লজ-এ কবিগুরুর আবক্ষ প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন ও মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়।

পরে টেগর লজ প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য, দর্শন ও মানবতাবাদী চেতনা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পর্বে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ-এর শিল্পীরা রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন।

অন্যদিকে কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা-র শিলাইদহে অবস্থিত রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি-তে শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী জাতীয় অনুষ্ঠানমালা। দুপুর আড়াইটায় অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার কথা রয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী-র। তবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই কুঠিবাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করেন দেশ-বিদেশ থেকে আসা রবীন্দ্রপ্রেমী দর্শনার্থীরা।

উল্লেখ্য, জমিদারি তদারকির জন্য ১৮৯১ সালে প্রথম শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে আসেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। নিরিবিলি পরিবেশ ও জমিদারি কার্যক্রমের কারণে তিনি বারবার ফিরে আসতেন কুষ্টিয়ার এই ঐতিহাসিক স্থানে। কবির জীবনের বহু মূল্যবান সময় কেটেছে শিলাইদহে। এখানেই রচিত হয় তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি, যা তাকে এনে দেয় নোবেল পুরস্কার ও বিশ্বকবির মর্যাদা। এছাড়াও এখানেই তিনি রচনা করেন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতসহ অসংখ্য কালজয়ী সাহিত্যকর্ম। কুঠিবাড়িতে আজও সংরক্ষিত রয়েছে সেই সময়ের নানা স্মৃতি।