জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা রাখার কারণে প্রবাসে নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরে আসা ২০৮ প্রবাসীকে কেন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (৪ মে) বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালত প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।
পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ওই ২০৮ জনের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত-এ আন্দোলনকালীন সময়ে সাজাপ্রাপ্ত ৫৭ জন শ্রমিক রয়েছেন। বাকি প্রবাসীরাও বিভিন্ন দেশে নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরে এসেছেন। তাদের সবাইকে সরকার ইতোমধ্যে “জুলাই যোদ্ধা” হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বলে জানান তিনি।
রিটে বলা হয়, এসব প্রবাসী আন্দোলনে ভূমিকা রাখার কারণে বিভিন্ন দেশে আটক, সাজা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং দেশে ফিরে এলেও এখনো পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ বা পুনর্বাসন সুবিধা পাননি। তাই প্রত্যেককে ২৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে।
হাইকোর্টের এই রুলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানিতে বিষয়টি বিবেচনায় আসবে বলে জানা গেছে।আইনজীবীরা মনে করছেন, এই রুলের মাধ্যমে প্রবাসে নির্যাতনের শিকার শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।