দেশের অন্তত ১১টি জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
রোববার (৩ মে) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, এ ধরনের আবহাওয়ায় নৌযান চলাচলে ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এদিকে আগামী তিন দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের বিস্তৃতি বাড়তে পারে। রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
মঙ্গলবার (৫ মে) বৃষ্টিপাত কিছুটা কমলেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
বুধবার (৬ মে) ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যান্য বিভাগেও বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এ ধরনের আবহাওয়ার পরিবর্তন স্বাভাবিক হলেও জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।