চাঁদে ভারতীয় মহাকাশচারী পাঠানোর লক্ষ্যে ইসরো’র প্রস্তুতি জোরদার


অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১৪, ২০২৩ । ৩:২৮ অপরাহ্ণ
চাঁদে ভারতীয় মহাকাশচারী পাঠানোর লক্ষ্যে ইসরো’র প্রস্তুতি জোরদার

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো) ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে ভারতীয় মহাকাশচারী পাঠানোর লক্ষ্যে প্রস্তুতি জোরদার করছে। এই লক্ষ্যে ইসরো গগনযান প্রকল্পের অধীনে একটি মনুষ্যবাহী মহাকাশযান তৈরি করছে। এই মহাকাশযানটিতে দুই থেকে তিন জন ভারতীয় মহাকাশচারী থাকবেন।

চাঁদে পাঠানোর আগে, ইসরো মহাকাশে মানুষ পাঠানোর জন্য অনুশীলন শুরু করেছে। এজন্য ভারতীয় বায়ুসেনার চার পাইলটকে সম্ভাব্য মহাকাশচারী হিসেবে বাছাই করা হয়েছে। এই পাইলটরা বর্তমানে বেঙ্গালুরুতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

ইসরো ২০২৫ সালে গগনযান প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এই প্রকল্পের অধীনে, ইসরো একটি মানববিহীন মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করবে। এই মহাকাশযানটি পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে তিন দিন প্রদক্ষিণ করবে। এরপর এটি ভারতীয় জলসীমায় অবতরণ করবে।

ইসরো’র ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে তুলনামূলক কম খরচে মোটামুটি ৫০০ কেজির উপগ্রহ উৎক্ষেপণের জন্য ছোট স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল (এসএসএলভি), পুনর্ব্যবহারযোগ্য লঞ্চ ভেহিকল (আরএলভি), ‘এক্সপোস্যাট’ (এক্স-রে পোলারিমিটার স্যাটেলাইট), কোনও যানের সঙ্গে মহাকাশ কেন্দ্র বা অন্য যানকে সংযুক্ত করার ‘স্পেস ডকিং এক্সপেরিমেন্ট’ বা ‘স্পাডেক্স’ এবং এলওএক্স-মিথেন ইঞ্জিন।

এসএসএলভি একসঙ্গে একাধিক উপগ্রহকে ৫০০ কিলোমিটার কক্ষপথে পৌঁছে দিতে পারবে। এক্স-রের উৎস সম্পর্কে আরও জানতে ‘এক্সপোস্যাট’ আগামী ২৮ ডিসেম্বরই রওনা হবে বলে খবর।

ইসরো’র চেয়ারম্যান এস সোমনাথ বলেছেন, “চাঁদে ভারতীয় মহাকাশচারী পাঠানো আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত। আমরা আশা করি, ২০৪০ সালের মধ্যে আমরা এই লক্ষ্য অর্জন করতে পারব।”

পুরোনো সংখ্যা

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১