নাটোরে শীতের আগমনে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা


শরিফুল ইসলাম, নাটোর ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি
প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩ । ২:২৮ অপরাহ্ণ
নাটোরে শীতের আগমনে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা

নাটোরে শীতের আগমনে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কারিগররা। শীত নিবারণের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে লেপ তোষক বানাতে ক্রেতারাও ভিড় করছে দোকানগুলোতে। অনেকেই আবার ব্যস্ত নিজের পুরোনো লেপ-তোষক মেরামতে। নাটোরের বিভিন্ন জনপদে ভোরে ও সন্ধ্যা-রাতে শীত ও কুয়াশা অনুভূত হচ্ছে।

ফলে যে যার সাধ্যমতো শীত মোকাবেলার প্রস্ততি নিচ্ছেন। নাটোর সদর উপজেলার হয়বতপুর এলাকার লোকজন সকালে ও রাতে গায়ে সোয়েটার ও চাঁদর জড়াচ্ছেন, রাতের বিছানায় টেনে নিতে হচ্ছে কাঁথা বা কম্বল।

জানা গেছে, বাজারে প্রতি কেজি শিমুল তুলা ৩০০ টাকা ও বিচি ছাড়া শিমুল তুলার কেজি ৪০০ টাকা। এসব তুলায় বালিশ তৈরি করেন সমাজের ধনী লোকেরা। আর গার্মেন্টস তুলায় বালিশ, লেপ ও তোষক বানিয়ে নেন মধ্যবিত্ত ও গ্রামের গরিব মানুষেরা। তবুও বর্তমান বাজারে ৫ হাত বাই ৫ হাত লেপ তৈরি করতে ১২০০ টাকার মতো খরচ হচ্ছে। যা গতবারের চেয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি। বাজারে কার্পাস তুলা প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ২০০ টাকা, প্রতি কেজি কালো হুল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, কালো রাবিশ তুলা ২০ থেকে ২৫ টাকা, অটো মেলের সাদা তুলা ৯০ টাকা থেকে ১২০ টাকা করে দাম চলছে।

হয়বতপুরের লেপ তোষকের কারিগর হারিছ জানান, শীতের তীব্রতা বাড়লে লেপ-তোষকের চাহিদা আরও বাড়বে। বর্তমানে বেঁচা কেনা ভালো। অনেকে আগে ভাগে পুরোনো লেপ-তোষক, বালিশ ঠিকঠাক ও নতুনভাবে তৈরি করার অর্ডার দিচ্ছেন।

কারিগররা আরও বলেন, আকার অনুযায়ী লেপ-তোষক, জাজিম তৈরিতে ২০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি নেওয়া হচ্ছে।

লেপ-তোষকের কারিগর রবিউল বলেন, একটি লেপ তৈরি করতে এখন মজুরি ২৫০ টাকা। এছাড়া তোষক ২০০ টাকা, বালিশ প্রতিটি ১৫ টাকা এবং জাজিম তৈরিতে ৫০০ টাকা হারে মজুরি নেওয়া হচ্ছে। এই মজুরির হার অন্য সময়ের চাইতে কিছুটা বেশি।

তোষক ক্রেতা মোঃ সাদ্দাম হোসেন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার তুলনামূলক অনেক বেশি দাম দিয়ে তোষক ক্রয় করতে হচ্ছে। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এগুলো ক্রয় করা খুবই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জাজিম ক্রেতা মহররম বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার একটু বেশি দামে বানাতে হলো।

পুরোনো সংখ্যা

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১