গ্রিন টির উপকারিতা ও অপকারিতা


অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১২, ২০২৩ । ৬:০২ অপরাহ্ণ
গ্রিন টির উপকারিতা ও অপকারিতা

গ্রিন টি’র রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা হাতেনাতে এর প্রমাণও পেয়েছেন। বিশেষ করে, চট জলদি ওজন কমাতে এই পানীয়র চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তবে দ্রুত রোগা হতে অনেকেই দিনে একাধিক বার এই চা মুখে তুলছেন। তাতেই ঘটছে বিপদ।

অথায় আছে, অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়। গ্রিন টি’র সত্যিই প্রচুর উপকারী দিক রয়েছে। কিন্তু সেটিকে ঘিরে কিছু মানুষের অতিরিক্ত উৎসাহ ডেকে আনছে বিপদ। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা থেকে ওজন কমানো। ত্বকের যত্নে এমনকি চুল ভালো রাখতেও গ্রিন টি’র ভূমিকা অনবদ্য।

সাধারণভাবে গ্রিন টি মেদ কমাতে সাহায্য করে। শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকারক কিছু কোষের মৃত্যু ঘটায়। শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে গ্রিন টি। দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। মানসিক উদ্বেগ কমায়। যত্ন নেয় ত্বকেরও। এত উপকারী দিক আছে বলেই বারবার গ্রিন টি খাওয়ার কোনো মানে নেই।

আসলে যতই উপকারী হোক, কোনো কিছুই অতিরিক্ত খাওয়া ভালো নয়। সকালে উঠে অনেকেই গ্রিন টি’র কাপে চুমুক দেন। অনেকেই ভাবেন এতে স্বাস্থ্যরক্ষা হবে। আদতে কিন্তু তা নয়। কারণ খালি পেটে গ্রিন টি কখনো পান করা ঠিক নয়। সব সময়ে খাওয়ার পরেই গ্রিন টি খাওয়া উচিত। খালি পেটে গ্রিন টি পান করলে পাকস্থলিতে অ্যাসিড ক্ষরণ হয়ে আলসারের ভয় থাকে।

অফিসে, রেস্তোরাঁতে তো বটেই, বাড়িতেও চায়ের বদলে গ্রিন টি’ই পছন্দ করেন অনেকে। তবে অতিরিক্ত গ্রিন টি পান করলে কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ এর ফলে ক্রিয়েটিনিন অনেক বেড়ে যায়। কিডনির স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা কমে যায়।

বেশ পরিমাণে গ্রিন টি পান করলে রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। এর ফলে হার্টের সমস্যা, স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটা বেড়ে যায়। গ্রিন টি শরীরে থাকা আয়রন শোষণ করে নেয়। ফলে রক্তাল্পতার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

ওজন কমানোর জন্য এখন অনেকেই গ্রিন টি পান করছেন। তবে প্রতি দিন ছয়-সাত কাপ গ্রিন টি পান করলে তা শরীরের জন্য উপকারের বদলে বিপজ্জনক। গ্রিন টি বেশি পান করলে প্রস্রাব বেশি হয়। প্রস্রাবের পরিমাণ বেশি হলে কিডনির ক্ষতি হতে পারে।

 

সূত্র : ঢা/টা

পুরোনো সংখ্যা

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১