ব্রকলি: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ক্যানসার ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক


অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১০, ২০২৩ । ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
ব্রকলি: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ক্যানসার ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক

শীত আসতেই নানারকম শাক-সবজিতে ভরে গেছে বাজার। তার মধ্যে বিশেষভাবে দৃষ্টি কাড়ছে ব্রকলি। সুপার পুষ্টিকর এই সবজি সারা বছরই অল্পস্বল্প পাওয়া যায়, তবে শীতের সময় পাওয়া যায় অনেক বেশি পরিমাণে। ব্রোকলি দেখতে ফুলকপির মতই, তবে রংটা সবুজ।

চমৎকার এই সবজিটি এখন বাংলাদেশেই চাষ হচ্ছে। কপি গোত্রের অন্যান্য সবজির চেয়ে ব্রকলি অপেক্ষাকৃত বেশি পুষ্টি সমৃদ্ধ ও ক্যানসার প্রতিরোধক। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, সি এবং খনিজ পদার্থ রয়েছে এবং এর গন্ধটাও আকর্ষণীয়।

ব্রকলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, নানা ধরনের ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান। সঙ্গে ক্যালোরির পরিমাণও খুব কম। ফলে এটি নিয়মিত খেলে এর উপকারিতা শরীর ও স্বাস্থ্যকে সমৃদ্ধ করে।

আপনি যদি ডায়াবেটিসে ভুগে থাকেন, তবে এই সবজি প্রতিদিন ডায়েটে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ সবুজ শাকসবজি খেলে ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো হ্রাস পায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকে। চলুন তবে আর দেরি না করে ব্রকলির চমকে দেওয়া গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নিই।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সাধারণত বিভিন্ন ধরনের সবজি খান। তবে টাইপ-২ ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেতে ব্রকলি আরও কার্যকর। সুতরাং, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অবশ্যই তাদের ডায়েটে ব্রকলি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

জার্নাল অব ট্রান্সলেশনাল মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুসারে, আপনি যদি ডায়াবেটিসে ভুগে থাকেন তবে আপনার প্রচুর পরিমাণে ব্রকলি খাওয়া উচিত। সাহেগার্জেনস্কা একাডেমি, গথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং সুইডেনের লন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এই সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, টাইপ ২ ডায়াবেটিসের লক্ষণ নিয়ন্ত্রণে ব্রকলির প্রভাব বেশ কার্যকর হতে পারে।

হার্ট ভালো রাখে

গবেষণায় দেখা গেছে যে, হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে পারে ব্রকলি। এর মধ্যে রয়েছে সেলেনিয়াম এবং গ্লুকোজনলেটস। এই দুই পদার্থ হার্টের শক্তি বাড়াতে পারে। এছাড়া এর মধ্যে রয়েছে ভালো পরিমাণে ফাইবার। এই ফাইবার কোলেস্টেরল শরীর থেকে বের করে দেয়। ফলে শরীর ভালো থাকে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমায়

ব্রকলিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। অন্যান্য সবজির তুলনায় এর ফাইবারের পরিমাণ বেশি। ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমায়। তাছাড়া ফাইবার ধীরে পাচিত হয়। তাই দীর্ঘক্ষণ পেটে থাকে। খিদেও কম পায়। ফলে যারা ওজন কমাতে চান, তারা নিয়মিত ব্রকলি খেতে পারেন।

ব্রকলিতে ভিটামিন সি

ব্রকলিতে ভিটামিনের মাত্রাও অনেকটাই বেশি। সবচেয়ে বেশি মাত্রায় থাকে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শীতকালে নিয়মিত ব্রকলি খেলে সর্দি-কাশির মতো সমস্যা কমতে পারে।

ব্রকলি রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণ বাড়ায়

যাদের দেহে আয়রনের ঘাটতি আছে, তাদের জন্যও উপকারী হতে পারে ব্রকলি। রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে শরীর দুর্বল লাগতে পারে, হতে পারে শ্বাসকষ্ট। ব্রকলি এই সমস্যাও কমিয়ে দিতে পারে। আয়রনে ভরপুর ব্রকলি রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

লেবুর দ্বিগুণ ও আলুর সাত গুণ ভিটামিন সি রয়েছে ব্রকলিতে। যাদের ভিটামিন সি দরকার, তারা অল্প করে হলেও ব্রকলি প্রতিদিন খেতে পারেন। সেলিনিয়াম দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে প্রচুর ভিটামিন এ থাকায় ত্বকে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে বাধা দেয়। সর্দি-কাশিও ঠেকাতে পারে ব্রকলি।

গ্যাসট্রাইটিস প্রতিরোধ

গ্যাসট্রিক আলসার ও গ্যাসট্রাইটিস প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর ব্রকলি। বাঁধাকপির চেয়ে এতে অনেক বেশি ভিটামিন ইউ (মেথিওনাইনের উপজাত) থাকে। এতে সালফরাফেন নামের উপাদান থাকে যা গ্যাসট্রিক অ্যালসার ও ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

ক্যানসার প্রতিরোধ

ব্রকলিতে ক্যানসার প্রতিরোধী উপাদান রয়েছে। এটি ক্রুসিফেরাস জাতীয় সবজি। এই গ্রুপের সব সবজি পাকস্থলী ও অন্ত্রের ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। ব্রকলির বিটা ক্যারোটিন ও সেলিনিয়াম যৌথ ও ভিটামিন সি প্রোস্টেট, কোলন, ফুসফুস, যকৃত, স্তন ও প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

কোলেস্টেরল কমাতে

শরীর থেকে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে ব্রকলি। কারণ, এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা দ্রবণীয় অবস্থায় থাকে অর্থাৎ এই ফাইবার পানিতে দ্রাব্য। এই ধরনের ফাইবার শরীর থেকে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল বের করে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রকলি শরীর থেকে ৬% হারে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে পারে।

বয়স ঠেকাতে

শরীরে সক্রিয় অক্সিজেন প্রতিরোধ করে ও বিষমুক্ত করে দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে সাহায্য করে ব্রকলি।

ত্বক সুন্দর করে

ব্রকলিতে থাকা ভিটামিন সি ত্বক সুন্দর করে। এছাড়া এতে ডায়াটারি আঁশ থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ করে

ব্রকলিতে চর্বি ও ক্যালরি কম কিন্তু আঁশ বেশি। তাই বেশি করে ব্রকলি খেলে ক্ষতি নেই। বেশি লৌহ থাকায় ডায়েটের সময় ব্রকলি থেকে ঝিম ধরা ভাব দূর হয়।

হাড়ের ক্ষমতা বাড়ায়

অনেক বিশেষজ্ঞই বিশ্বাস করেন যে, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে ব্রকলি। এমনকি দাঁতও ভালো রাখতে পারে। আসলে এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হাড়ের ক্ষয়রোধ করে দিতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে এই শীতে বেশি বেশি করে ব্রকলি খেতে ভুলবেন না যেন।

 

শীত আসতেই নানারকম শাক-সবজিতে ভরে গেছে বাজার। তার মধ্যে বিশেষভাবে দৃষ্টি কাড়ছে ব্রকলি। সুপার পুষ্টিকর এই সবজি সারা বছরই অল্পস্বল্প পাওয়া যায়, তবে শীতের সময় পাওয়া যায় অনেক বেশি পরিমাণে। ব্রোকলি দেখতে ফুলকপির মতই, তবে রংটা সবুজ।

চমৎকার এই সবজিটি এখন বাংলাদেশেই চাষ হচ্ছে। কপি গোত্রের অন্যান্য সবজির চেয়ে ব্রকলি অপেক্ষাকৃত বেশি পুষ্টি সমৃদ্ধ ও ক্যানসার প্রতিরোধক। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, সি এবং খনিজ পদার্থ রয়েছে এবং এর গন্ধটাও আকর্ষণীয়।

ব্রকলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, নানা ধরনের ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান। সঙ্গে ক্যালোরির পরিমাণও খুব কম। ফলে এটি নিয়মিত খেলে এর উপকারিতা শরীর ও স্বাস্থ্যকে সমৃদ্ধ করে।

আপনি যদি ডায়াবেটিসে ভুগে থাকেন, তবে এই সবজি প্রতিদিন ডায়েটে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ সবুজ শাকসবজি খেলে ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো হ্রাস পায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকে। চলুন তবে আর দেরি না করে ব্রকলির চমকে দেওয়া গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নিই।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সাধারণত বিভিন্ন ধরনের সবজি খান। তবে টাইপ-২ ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেতে ব্রকলি আরও কার্যকর। সুতরাং, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অবশ্যই তাদের ডায়েটে ব্রকলি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

জার্নাল অব ট্রান্সলেশনাল মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুসারে, আপনি যদি ডায়াবেটিসে ভুগে থাকেন তবে আপনার প্রচুর পরিমাণে ব্রকলি খাওয়া উচিত। সাহেগার্জেনস্কা একাডেমি, গথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং সুইডেনের লন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এই সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, টাইপ ২ ডায়াবেটিসের লক্ষণ নিয়ন্ত্রণে ব্রকলির প্রভাব বেশ কার্যকর হতে পারে।

হার্ট ভালো রাখে

গবেষণায় দেখা গেছে যে, হার্ট বা হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে পারে ব্রকলি। এর মধ্যে রয়েছে সেলেনিয়াম এবং গ্লুকোজনলেটস। এই দুই পদার্থ হার্টের শক্তি বাড়াতে পারে। এছাড়া এর মধ্যে রয়েছে ভালো পরিমাণে ফাইবার। এই ফাইবার কোলেস্টেরল শরীর থেকে বের করে দেয়। ফলে শরীর ভালো থাকে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমায়

ব্রকলিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। অন্যান্য সবজির তুলনায় এর ফাইবারের পরিমাণ বেশি। ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমায়। তাছাড়া ফাইবার ধীরে পাচিত হয়। তাই দীর্ঘক্ষণ পেটে থাকে। খিদেও কম পায়। ফলে যারা ওজন কমাতে চান, তারা নিয়মিত ব্রকলি খেতে পারেন।

ব্রকলিতে ভিটামিন সি

ব্রকলিতে ভিটামিনের মাত্রাও অনেকটাই বেশি। সবচেয়ে বেশি মাত্রায় থাকে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শীতকালে নিয়মিত ব্রকলি খেলে সর্দি-কাশির মতো সমস্যা কমতে পারে।

ব্রকলি রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণ বাড়ায়

যাদের দেহে আয়রনের ঘাটতি আছে, তাদের জন্যও উপকারী হতে পারে ব্রকলি। রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে শরীর দুর্বল লাগতে পারে, হতে পারে শ্বাসকষ্ট। ব্রকলি এই সমস্যাও কমিয়ে দিতে পারে। আয়রনে ভরপুর ব্রকলি রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

লেবুর দ্বিগুণ ও আলুর সাত গুণ ভিটামিন সি রয়েছে ব্রকলিতে। যাদের ভিটামিন সি দরকার, তারা অল্প করে হলেও ব্রকলি প্রতিদিন খেতে পারেন। সেলিনিয়াম দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে প্রচুর ভিটামিন এ থাকায় ত্বকে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে বাধা দেয়। সর্দি-কাশিও ঠেকাতে পারে ব্রকলি।

গ্যাসট্রাইটিস প্রতিরোধ

গ্যাসট্রিক আলসার ও গ্যাসট্রাইটিস প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর ব্রকলি। বাঁধাকপির চেয়ে এতে অনেক বেশি ভিটামিন ইউ (মেথিওনাইনের উপজাত) থাকে। এতে সালফরাফেন নামের উপাদান থাকে যা গ্যাসট্রিক অ্যালসার ও ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

ক্যানসার প্রতিরোধ

ব্রকলিতে ক্যানসার প্রতিরোধী উপাদান রয়েছে। এটি ক্রুসিফেরাস জাতীয় সবজি। এই গ্রুপের সব সবজি পাকস্থলী ও অন্ত্রের ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। ব্রকলির বিটা ক্যারোটিন ও সেলিনিয়াম যৌথ ও ভিটামিন সি প্রোস্টেট, কোলন, ফুসফুস, যকৃত, স্তন ও প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

কোলেস্টেরল কমাতে

শরীর থেকে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে ব্রকলি। কারণ, এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা দ্রবণীয় অবস্থায় থাকে অর্থাৎ এই ফাইবার পানিতে দ্রাব্য। এই ধরনের ফাইবার শরীর থেকে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল বের করে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রকলি শরীর থেকে ৬% হারে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে পারে।

বয়স ঠেকাতে

শরীরে সক্রিয় অক্সিজেন প্রতিরোধ করে ও বিষমুক্ত করে দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে সাহায্য করে ব্রকলি।

ত্বক সুন্দর করে

ব্রকলিতে থাকা ভিটামিন সি ত্বক সুন্দর করে। এছাড়া এতে ডায়াটারি আঁশ থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ করে

ব্রকলিতে চর্বি ও ক্যালরি কম কিন্তু আঁশ বেশি। তাই বেশি করে ব্রকলি খেলে ক্ষতি নেই। বেশি লৌহ থাকায় ডায়েটের সময় ব্রকলি থেকে ঝিম ধরা ভাব দূর হয়।

হাড়ের ক্ষমতা বাড়ায়

অনেক বিশেষজ্ঞই বিশ্বাস করেন যে, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে ব্রকলি। এমনকি দাঁতও ভালো রাখতে পারে। আসলে এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হাড়ের ক্ষয়রোধ করে দিতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে এই শীতে বেশি বেশি করে ব্রকলি খেতে ভুলবেন না যেন।

 

সূত্র : ঢা/টা

পুরোনো সংখ্যা

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১