শেয়ারবাজারে দুর্বল কোম্পানিদের কারসাজির সুযোগ, বিলম্বে ক্যাটাগরি পরিবর্তন


অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৭, ২০২৩ । ২:৪৩ অপরাহ্ণ
শেয়ারবাজারে দুর্বল কোম্পানিদের কারসাজির সুযোগ, বিলম্বে ক্যাটাগরি পরিবর্তন
প্রতীকী ছবি

শেয়ারবাজারে দুর্বল কোম্পানিগুলোকে আরও কিছুদিন বাড়তি সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর ফলে এসব কোম্পানি ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শেয়ারবাজারে কারসাজি করার সুযোগ পাবে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, কোনো কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করলে তা বার্ষিক সাধারণ সভায় পাশ করা এবং বণ্টনের বিষয় রয়েছে। সে কারণে একটু সময় নেওয়া হয়েছে।

তবে সূত্র বলছে, বিলম্বের কারণ হলো মালিকানা পরিবর্তন হওয়া কিছু দুর্বল কোম্পানিকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া। এসব কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালক এবং পরিকল্পিত বিনিয়োগকারীরা যাতে নির্ধারিত সময়ে নিরাপদে বাজার থেকে বের হয়ে যেতে পারেন, সেজন্যই এ আয়োজন।

সূত্র আরও জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বেশকিছু দুর্বল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নিজস্ব লোকজন বসানো হয়েছে। মালিকানা পরিবর্তনের আগের এসব কোম্পানিতে পছন্দের লোকজনকে দিয়ে শেয়ার কেনানো হয়। এসব কোম্পানির মধ্যে অন্যতম হলো আল আমিন কেমিক্যাল, রাঙ্গামাটি ফুড, ইমাম বাটন, পারফিউম কেমিক্যাল, রহিমা ফুড, এমারেল্ড অয়েল, ফুওয়াং ফুড, ওয়াই ম্যাক্স ইলেক্ট্রোটেড, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, সিনো বাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, হাক্কানি পাল্প, ইয়াকিন পলিমার এবং রিংশাইন টেক্সটাইল।

এদিকে জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ারে কিছু অসুবিধা রয়েছে। এসব কোম্পানির লেনদেন নিষ্পত্তি হতে ৩ কার্যদিবস লাগে। কোম্পানির শেয়ারে কেনা ঋণ পাওয়া যায় না। এছাড়াও এসব কোম্পানি দুর্বল হিসাবে চিহ্নিত বলে এগুলোর শেয়ার বিনিয়োগকারীরা কিনতে চান না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকটি কোম্পানির বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বলেন, তাদের কোম্পানিগুলোতে আগে কিছু অনিয়ম হয়েছে। আর এসব কারণেই আগের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে যারা দায়িত্ব নিয়েছেন, তারা কোনোভাবেই অনিয়ম বা বিনিয়োগকারীদের ঠকানোর সঙ্গে জড়িত নন।

বিনিয়োগকারীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, বিএসইসির এ সিদ্ধান্তে শেয়ারবাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। দুর্বল কোম্পানিগুলো কারসাজি করে শেয়ারের দাম বাড়াতে পারে। এতে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

বিএসইসিকে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

দৈ/যু

পুরোনো সংখ্যা

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১