অ্যাজমা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন জেনে নিন


অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৭, ২০২৩ । ১:৩৫ অপরাহ্ণ
অ্যাজমা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন জেনে নিন

অ্যাজমা বা হাঁপানি একটি দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসীয় রোগ যা শ্বাসনালির প্রদাহের কারণে ঘটে। শ্বাসনালি হলো সেই পথ যা দিয়ে বাতাস ফুসফুসে প্রবেশ করে। অ্যাজমা হলে শ্বাসনালি সংকুচিত হয়ে যায়, ফলে বাতাস চলাচল ব্যাহত হয়। এতে শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ, কাশি এবং বুকে বাঁশির মতো শব্দ হয়।

অ্যাজমার কারণ এখনও সম্পূর্ণরূপে জানা যায়নি। তবে জেনেটিক এবং পরিবেশগত উভয় কারণেই অ্যাজমা হতে পারে বলে মনে করা হয়। অ্যাজমার ঝুঁকি বাড়ানোর কিছু কারণ হলো:

  • পরিবারে কারও অ্যাজমা থাকলে
  • অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে
  • ধূমপান করা
  • কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ সেবন করা
  • কিছু নির্দিষ্ট পেশায় কাজ করা

অ্যাজমার লক্ষণগুলি সাধারণত তীব্র হয় এবং হঠাৎ করে শুরু হয়। লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • শ্বাসকষ্ট
  • বুকে চাপ
  • কাশি
  • বুকে বাঁশির মতো শব্দ
  • বুক ভার হয়ে থাকা
  • ঘনঘন ঘুম থেকে ওঠা

অ্যাজমার চিকিৎসার মূল লক্ষ্য হলো উপসর্গগুলি নিয়ন্ত্রণ করা এবং ফুসফুসের ক্ষতি রোধ করা। অ্যাজমার চিকিৎসায় সাধারণত ব্যবহৃত ওষুধগুলি হলো:

  • ইনহেলার: ইনহেলার হলো অ্যাজমার চিকিৎসার জন্য সবচেয়ে কার্যকর ওষুধ। ইনহেলারের মাধ্যমে ওষুধ সরাসরি ফুসফুসে পৌঁছায়।
  • স্টেরয়েড: স্টেরয়েড শ্বাসনালির প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। স্টেরয়েড সাধারণত ইনহেলার বা ট্যাবলেট আকারে দেওয়া হয়।
  • ব্রঙ্কোডাইলেটর: ব্রঙ্কোডাইলেটর শ্বাসনালিকে শিথিল করতে সাহায্য করে। ব্রঙ্কোডাইলেটর সাধারণত ইনহেলার আকারে দেওয়া হয়।

অ্যাজমা রোগীদের কিছু সাধারণ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এগুলো হলো:

  • অ্যাজমার কারণগুলি এড়িয়ে চলা
  • নিয়মিত ওষুধ সেবন করা
  • ধূমপান করা থেকে বিরত থাকা
  • স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো

অ্যাজমা একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য রোগ। সঠিক চিকিৎসা এবং সতর্কতা অবলম্বন করলে অ্যাজমা রোগীরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।

পুরোনো সংখ্যা

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১