সর্বশেষ :

এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু ২৭ নভেম্বর


অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২৬, ২০২৩ । ৪:২৬ অপরাহ্ণ
এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু ২৭ নভেম্বর

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল রোববার (২৬ নভেম্বর) প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষায় কেউ ফেল করলে বা কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলে, তা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ রয়েছে। পুনঃনিরীক্ষণের এ আবেদন সোমবার (২৭ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়ে চলবে আগামী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

শুধু এসএমএসের মাধ্যমে এ ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, শুধুমাত্র টেলিটকের প্রিপেইড নম্বর থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।

আবেদন করবেন যেভাবে

প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। উদাহারণ: RSC DHA 123456 174 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের ক্ষেত্রে কমা দিয়ে সাবজেক্ট কোড এসএমএস করতে হবে। যেমন- 174, 175, 176।

এসএমএস সেন্ড হলে টেলিটক থেকে পিন নম্বরসহ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে, তা জানিয়ে একটি ফিরতি এসএমএস আসবে। পিন নম্বরটি সংগ্রহ করে রাখতে হবে। এরপর এতে সম্মত হলে আবারও মেসেজ অপশনে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে ‘পিন নম্বর’ লিখে স্পেস দিয়ে নিজস্ব মোবাইল নম্বর (যেকোনো অপারেটর) লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। উদাহারণ: RSC<>YES<>PIN-NUMBER<>MobileNumber লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

আবেদন ফি

বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি তথ্যানুযায়ী- প্রতি পত্রের ফল পুনঃনিরীক্ষার ফি ১৫০ টাকা। সেই হিসেবে এইচএসসির প্রতি বিষয়ের (প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র) পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের জন্য ফি ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কারণ দুই পত্রের বিষয়ের ক্ষেত্রে দুটির জন্যই একসঙ্গে আবেদন করতে হবে।
 
রোববার (২৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় ওয়েবসাইট ও নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফল প্রকাশ করা হয়। এর আগে সকাল ১০টায় গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী ও বোর্ডের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন।
 
ফলাফলে দেখা গেছে, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে পরীক্ষায় মোট পাস করেছেন ১০ লাখ ৬৭ হাজার ৮৫২ জন পরীক্ষার্থী। পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ। শুধু ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৯ শতাংশ।
 
গতবারের তুলনায় এবার মোট পাসের হার কমেছে। গতবার সব বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
 
এবার সবচেয়ে বেশি পাসের হার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৮০.৬৫ শতাংশ। এরপর ঢাকা বোর্ডে ৭৯.৪৪, রাজশাহী বোর্ডে ৭৮.৪৫, কুমিল্লা বোর্ডে ৭৫.৩, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৭৪.৪৫, সিলেট বোর্ডে ৭১.৬২, ময়মনসিংহ ও দিনাজপুর বোর্ডে ৭০.৪৪ এবং যশোর বোর্ডে ৬৯.৮৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৯১.২৫ এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় পাস করেছেন ৯০ দশমিক ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। 

সূত্র: স/টি

পুরোনো সংখ্যা

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০